পেকুয়ায় রুপাই খাল দখলে খুনি মোস্তাক ও জমায়াত-শিবির চক্র!!!

 পেকুয়ায় চলছে খুনি মোস্তাক গংয়ের রুপাই খাল দখলের মহোৎসব। ডাকাত ও আলোচিত জোড়া খুন মামলার অন্যতম আসামী যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মোস্তাক আহমদ ও উপকূলের ভূমিদস্যুখ্যাত মোস্তাক আহমদের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড শিবিরের শীর্ষ ক্যাডার জুয়েল রানা পেকুয়ায় রুপাই খাল দখলে নিয়ে ৫০একরেরও বেশি সরকারী ভূমি দখলে নিয়েছে। মোস্তাক আহমদ মগনামা ইউনিয়নের মটকাভাঙ্গা এলাকার মৃত আবদুল মালেকের পুত্র আর জুয়েল রানা দারিয়াখালী এলাকার আবু ছৈয়দের পুত্র। ইতিমধ্যে তারা দখল পাকাপোক্ত করতে বসতবাড়ি নির্মাণ ও টংঘর তৈরি করে আস্তানা তৈরি করেছে রুপাই খালে জাল বসানোর নিয়ম না থাকলেও লাখো লাখো মানুষের চলাচলের রাস্তা কেটে যান চলাচলের ব্যাঘাত ঘটানো হয়।স্থানীয় চেয়ারম্যান হতে রুপাই খালের নাশি রক্ষাণাবেক্ষনের দায়িত্ব নিয়ে ডাকাত ও আলোচিত জোড়া খুন মামলার অন্যতম আসামী যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মোস্তাক আহমদ ও উপকূলের ভূমিদস্যুখ্যাত মোস্তাক আহমদের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড শিবিরের শীর্ষ ক্যাডার জুয়েল রানা মাছ ধরার নামে অবৈধ ভাবে জাল বসিয়ে নাশিতে পানি চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন । যার ফলে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও বন্যার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে নশির উপর রাতের বেলায় বিভিন্ন এলাকার ১৮/২০ জনের একটি বখাটের দল মদ, গাঁজা ইয়াবা সেবন করে অশ্লিল গালিগালাজ ও পথচারীদের অতিষ্ঠ করে তোলেছে। ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী নারীরাও তাদের কারণে অতিষ্ঠ। এলাকায় ভীতি সৃষ্টি করতে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করে অস্ত্র শস্ত্র মজুদ করেছে ওই ঘরগুলোতে। স্থানীয়রা তার প্রতিবাদ করতে গেলে দেওয়া হয় মামলা আর হত্যার মত হুমকি। যার কারণে স্থানীয়দের সাথে মোস্তাক আহমদ গংয়ের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে এলাকাবাসীরা।  এ স্থানীয় ভূমিগ্রাসী চক্র বদ্ধ এ জলমহাল জবরদখল তৎপরতায় লিপ্ত। তারা এক সময়ের খরস্রোতা রুপাইখাল দখল মহোৎসবে মেতেছে। রুপাইখালের জেগে উঠা চর ভরাট করে সেখানে তৈরী করছে লবণ চাষের জমি সহ বসতবাড়ি।এতে করে সরকারের ১ নং খাস খতিয়ানের অন্তর্ভূক্ত বিপুল সম্পত্তি বেহাত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। রুপাইখাল মগনামা ইউনিয়নের মৎস্য প্রজনন ও জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষনের অন্যতম উৎস।এ খালে মৎস্য আহরন করছে শত শত জেলে। তারা প্রানপন চেষ্টা করছে খাল অবমুক্ত রাখতে। জবরদখল ঠেকাতে ও বন্দোবস্তীসহ লিজ কার্যক্রম স্থগিত রাখতে মহামান্য হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়। বিচারপতি জাফর আহমদ ও নাঈমা হায়দারের হাইকোর্ট বেঞ্চে সেটি শুনানীধীন আছে। তবে এ সব অমান্য চলছে রুপাইখালে। সম্প্রতি রুপাইখাল দখলের মহোৎসব আরও জোরালো হয়েছে। স্থানীয় সুত্র জানায়, মগনামার ধারিয়াখালি অংশে খুনি মোস্তাক রুপাইখাল জবরদখল অব্যাহত রয়েছে।ধারিয়াখালী এলাকার  রুপাইখাল দখলের প্রচেষ্টায় লিপ্ত। কাটাফাঁড়ি সোনালী বাজার সড়কের রুপাইখালের নিকট চেয়ারম্যান কর্তৃক নাশি দেখাশুনা নামে খাল দখল করে লবন ও মৎস্য চাষের মহোৎসব চলছে। বর্তমানে  অস্তিত্ব সঙ্কটে রুপাই খাল এক সময় রুপাই খালে ভিড়তো বড় বড় ট্রলার। সাধারণ মানুষের যাতায়াতের প্রধান নৌ পথ ছিল এই খাল। কিন্তু বর্তমানে কক্সবাজারের পেকুয়ায় অবস্থিত খালটির দুই পাশে বাধ দিয়ে দখল করে রেখেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। তাতে এক রকম অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়েছে এই জলাধারটি। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, খালের দু’পাড় দখল করে রেখেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। মাটি ভরাট করে খালটিকে বিলীন করে ফেলছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করা হলেও কিছুতেই দখলমুক্ত হচ্ছে না খালটি। স্থানীয়দের দাবি, বর্ষার আগে খাল দখল মুক্ত করে খনন করা না গেলে বন্যার পানিতে প্লাবিত হবে পুরো গ্রাম। দীর্ঘ পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে দখলে থাকা রুপাই খালে পানির প্রবাহ একেবারেই কমে গেছে। আগের মতো জালে ধরা পড়ে না মাছ। আবার, ভরা মৌসুমী মাছের দেখা মিললেও দখলদারেরা সরকারি এই খালে স্থানীয় জেলেদের নামতেই দেয় না। খাল ভরাট করে দখল করায় প্রতি বছর বর্ষায় অতিরিক্ত পানিতে প্লাবিত হয় পুরো এলাকা। সেই শঙ্কা রয়েছে এবারো। এ ব্যাপারে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিম বলেন, ‘প্রভাবশালীদের কাছে এলাকাবাসী অসহায়। ক্রমেই খালের আকার ছোট হয়ে আসছে। কিন্তু খাল বাঁচাতে কোনো উদ্যোগই গ্রহণ করা হয়নি।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো মাহবুবউল করিম বলেন, ৬১ একর জমির ওপর রুপাই খাল দখলে রয়েছে ৫ বছর ধরে। ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের জীবিকা ছিল এই খালকে ঘিরে। প্রায় ৩০ হাজার মানুষ এই খালকে ঘিরেই গড়ে তুলেছেন বসতি। অচিরেই এই খাল দখলমুক্ত করা না গেলে গত বারের চেয়েও বড় ধরনের বন্যায় প্লাবিত হবে মগনামা ইউনিয়ন। উপজেলা প্রশাসন বলছে, দখলদার যেই হোকনা কেন, তাকে ছাড় দেয়া হবেনা। রুপাই খাল দখলমুক্ত করার জন্য প্রশাসন সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের কাছে প্রভাবশালী দখলদার খুনি মোস্তাক ও শিবির ক্যাডার জুয়েল রানাসহ অন্তত ১৫ জনের নাম রয়েছে বলেও জানান এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা। তিনি জানান, এদের বিরুদ্ধে রাতের আঁধারে এস্কেভেটর দিয়ে মাটি ভরাট করার অভিযোগ রয়েছে।  ঐতিহ্যবাহী রুপাই খালটি দখলদার মুক্ত করতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সুত্র জানায়, রুপাইখাল এক সময় প্রচন্ড খর স্রোতা ছিল। এর অবস্থান ছিল বঙ্গোপসাগরের সাথে। পশ্চিমে কুতুবদিয়া চ্যানেল, পূর্বদিকে কাটাফাঁড়ি নদী এ সঙ্গমস্থলে রুপাইখালের উৎপত্তি। ব্রিটিশ সময়ে রুপাইখাল কৃত্রিম শাসনে চলে যায়। বাঁধ দিয়ে এর গতি থেমে দেওয়া হয়। এক সময় মরাখালে পতিত হয়।মিষ্টি পানির বিশাল উৎস ছিল এ খাল। শুষ্ক মৌসুমে গভীর এ খালের পানি থেকে ফসল উৎপাদন হত অবিভক্ত মগনামায়। মগনামা ইউনিয়নের দরদরিঘোনা থেকে এসে রুপাইখাল থেমে যায় ফেরদাউস আহমদের বাড়ির নিকট। একে বাঁকে এ খাল দরদরিঘোনা, ব্যাঙকুয়াল ঘোনা, বাইন্নাঘোনা, রুকের চর, দারিয়াখালী ও কুমপাড়া হয়ে প্রায় ৫ কিলোমিটার বিস্তৃত কাটাফাঁড়ি সোনালী বাজার সড়কের আমজাবর বাড়ির নিকট বেড়িবাঁধে এর গতি থামিয়ে দেয়।স্থানীয় সুত্র জানায়, প্রায় ১শ ৭০ একরেরও অধিক রুপাইখালের আয়তন। এক সময় প্রচন্ড গভীর ছিল খালটি। বর্তমানে খালের বিপুল অংশ পলি জমে ভরাট হয়ে যায়। দরদরিঘোনার অংশে খাল নেই। চাষীরা লবণ উৎপাদন করছে এ খালে। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ মূলতঃ সকল সরকারের সময় বন্দোবস্তী মুলে দখলে দেয় স্থানীয়দের। ৯০ দশকের পর সরকার দলীয় বিবেচনায় নেতা-কর্মীদের অনুকুলে এ খাল লীজ দেয়। রুপাইখাল মগনামা ইউনিয়নের অর্থনীতির অন্যতম প্রানের স্পন্দন। সেটি সরকারের বদ্ধ জলমহল শ্রেনীভূক্ত সম্পত্তি। এ খালের দু’পাড়ে মানুষের বসতি রয়েছে। সরকারের খাস জমিতে মানুষ বসবাস করছিল যুগ যুগ ধরে। তারা অত্যন্ত দরিদ্র। খাল থেকে মৎস্য আহরন করে সংসার চালায়। এ ছাড়া রুপাইখাল পানি নিষ্কাশনের অন্যতম মাধ্যম এ ইউনিয়নে। মধ্যম পূর্ব দক্ষিন পশ্চিম অংশের লোকালয়ের পানি এ খালের উপর দিয়ে গিয়ে নদীতে চলাচল করে। লবণ চাষীরা জানায়, খুনি মোস্তাক ও শিবির নেতা জুয়েল গং রুপাইখালের মুল পানি চলাচল পয়েন্ট দখলে নেয়। খালের মাঝপথে পানি চলাচলের অংশ। সেটিসহ রুপাইখালের প্রায় ৫0 একর জায়গা দখলে নিতে মাটি ভরাট করে। সেখানে বাঁধ তৈরী করা হয়েছে।মগনামা ইউনিয়নের বাইন্নাঘোনা ও ধারিয়াখালীর লোকজন জানায়, রুপাইখাল ভূমিগ্রাসীদের নজরে এসেছে। এর আগেও অনেকে দখলের চেষ্টা করে। আমরা মৎস্য শিকারী ও লবণ চাষীরা আন্দোলন সংগ্রাম করে এদের হটিয়েছি। খুনি মোস্তাক একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। এক সময় দুর্ধর্ষ ডাকাত ছিল। তিনি ডবল মার্ডার করে যাবৎ জীবন সাজা প্রাপ্ত আসামী। উল্লেখ্য যে, উক্ত  যাবজ্জীবন ও জরিমানা প্রাপ্ত  আসামী  ১৯৯৬ সালের  যার মামলা নং : – জিআর  ১৬৮/৯১ যার এসটি  নং :-  ২৬/৯৫ | তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইউএনও ও ওসিকে তাগিদ বার বার নজরে আনা হলেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। তবে তার ‍বিরুদ্ধে একটি থানায় জিডি হয়েছে। এ অভিযোগ করেছে রুপাইখাল বাঁচাও আন্দোলনের নেতা ইখতিয়ার উদ্দিন। ইখতিয়ার উদ্দিন তার বাড়ির দক্ষিন পাশ্বে রুপাইখাল খননের চেষ্টা করলেও তা খুনি মোস্তাক বাধা দিচ্ছে। সরকারের ১ নং খাস খতিয়ানের খাল শ্রেনীর ওই সম্পত্তির প্রায় ৫ একর খুনি মোস্তাক তার কব্জায় নিয়ে যায়। গত ১ মাস আগে থেকে খাল দখল কাজ চলমান রাখে।  বর্তমানে টাকার লোভে জমায়াত শিবিরের শীর্ষ ক্যাডারের সাথে দল বেধেঁ এ খুনি পুরা রুপাই খাল কব্জায় নিয়েছে। প্রভাবশালী ওই ব্যক্তি খাল দখলে নিতে সেখানে বাঁধ তৈরী করে। স্ক্যাভেটর দিয়ে মাটি ভরাট করে খালের প্রবাহমান অংশ দখলে নেয়। আমাদের বসবাসের বাড়িটি রুপাই খালের তীরবর্তী হওয়ায় আমরা সবসময় পাশ দিয়ে চলাচল করে থাকি। কিন্তু গত ২/৩ বছর মগনামার পশ্চিম বাঁধ ভেঙ্গে পড়ায় মগনামা বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় আমাদের বাড়িঘরের রাক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে যায়। ফলে চলাচল করতে ভিশন অসুবিধায় পরতে হয়। ফলে পুরা এলাকা প্লাবিত হয়ে পরিবেশের বিনষ্ট হচ্ছে এবং জনগণের জানমালের ক্ষতি হচ্ছে।  এছাড়া উক্ত খাল ভারাট হয়ে এমন অবস্থা হয়েছে যে, পানি ধারণ কিংবা চলাচলের উনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে। আমি দীর্ঘদিন উক্ত খালের পানি চলাচল ঠিক রাখার জন্য এবং জনগনের মালামাল ও লবন পরিবহণ করার জন্য দখলমুক্ত করার জন্য অন্দোলন করি। সরকারের কোন ধরণের সহযোগিতা না পেয়ে নিজের টাকায় খাল খলনের ব্যবস্থা করি। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ দু’শত বছর আগে মগনামা ইউনিয়নের বাসিন্দাদের একমাত্র চলাচল খাল রুপাইখাল। এ খাল থেকে স্থানীয় এলাকাবাসীরা মাছ আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করে। সংসার চলে গরীব অসহায় লোকদের। আর এ খালটি দখল করছে মোস্তাক আহমদ ও জুয়েল রানা। ইতিমধ্যে একটি বাহিনী গঠন করে তারা প্রতিদিন বসতবাড়ি নির্মাণ করে যাচ্ছেন। দখল চক্র ও চিহ্নিত ভূমিদস্যুরা এখন প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছেন যারা রুপাই খাল বাঁচাও আন্দোলন করে রুপাই খালকে দখল মুক্ত করতে চাইছেন। বিভিন্নভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। তিনি আরো জানা যায়, রুপাই খাল বাঁচাও আন্দোলনের অন্যতম নেতা হওয়ায় তারা আমাকে ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে বিভিন্ন সংবাদ পত্র ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে উঠেপড়ে লেগেছে। মোস্তাক গংয়ের অব্যাহত হুমকিতে আমি নিরাপত্তাহীনতায়। আমার স্ত্রী আজমির নুরে জান্নাত বাদী হয়ে থানায় জিডি করেছি। যার নং-১০০৩/০৫-০৫-১৮ইং। এছাড়াও রুপাইখাল বাঁচাও আন্দোলন করে মানববন্ধন করায় মামলা মোকদ্দামা করে হয়রানি করছে। এমনকি মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়ারও পায়তারা করছে মোস্তাক আহমদ ও জুয়েল রানা গং। আমার অপরাধ হলো সন্ত্রাসী মোস্তাক আহমদ ও জুয়েল রানা থেকে রুপাইখাল উদ্ধার করতে আন্দোলন শুরু করি বেশ কয়েকবছর আগে। সাধারণ জনগণকে নিয়ে ইতিমধ্যেই রুপাইখাল অবৈধ দখলমুক্ত করতে মানববন্ধন সমাবেশ স্বারকলিপি পেশ করেছি। ওই সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও এলাকাবাসীরা। যার ফলে ডাকাত মোস্তাক ও জুয়েল আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছেন। এছাড়াও মোস্তাক ১৯৯৬ সালে সোনালী বাজারের উত্তর পার্শে মনতু বাপের বসত বাড়ী ডাকাতি করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির করেছে। মটকাভাঙ্গা এলাকায় শহিদুল আলম ও শফিকুল আলম নামের দু’সহোদরকে হত্যা করে মোস্তাক আহমদ গং। ওই মামলায় সে যাবজ্জীবন ও জরিমানা প্রাপ্ত আসামী। যার মামলা নং- জিআর ১৬৮/৯১ যার এসটি নং- ২৬/৯৫। তার আধিপত্যর কারণে সাধারণ জনগণ অতিষ্ঠ। এমনকি অজ্ঞাত কারনে সে ভুমিহীন না হয়েও পেকুয়া উপজেলা ভুমিহীন মহাল কমিটির সদস্য হয়ে তার স্ত্রী, সন্তান, আত্মীয় স্বজন ও তার নামে সরকারী খাস জমি দখলে নিয়ে মরিয়া হয়ে ওঠেছেন। মোস্তাকের নিজের স্ত্রীর ও তার ভাইয়ের নামে একটি খাস জমির প্রস্তাব পাশ করেছেন। মোস্তাক ও জুয়েল রানার নেতৃত্বে রুপাই খাল দখলে আছেন তার ভগ্নিপতি মোকতার ৫ একর, তার ভাগিনা আজমগীর ২একর, মোজাম্মেল ১ একর মোস্তাক নিজে বিক্রি করে দখলে দেন শামসুল আলমকে ১ একর, আজগরকে ২ একর, মোকতার গং নুর উদ্দিন গংকে বিক্রি করেন ৪০ শতক, বাইশ্যাকে ৪০ শতক, মোস্তাকের অপর সিন্ডিকেট রেজাকুল হায়দারগং বর্তমানে দখলে আছেন ২০ একর, আরো বিক্রি করেন নুর আলম ৪০শতক, শাহ আলম ৮০ শতক , মোহাম্দ কালু ১ একর ২০ শতক, নুর ইসলাম ৪০ শতক, জসিম ২০ শতক, আলম ৪০ শতক, শাহাব উদ্দিন ৪০ শতক, ফোরকানের মাকে ১ একর, অপরদিকে অন্য দখলকারীরা হলেন, নুরুল আজিম ১০ একর, আব্দু রহিম ২ একর, কামাল হেছেন ৫ একর, মোহাম্দ আলী ১০ একর। আমি সর্বশেষ এ কথা বলবই তার দখল চক্রান্ত অব্যাহত থাকলে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় নেমে আসবে। পরিবেশ অধিদপ্তর সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলে তা সত্যতা পাবে। এ বিষয়ে আমি স্থানীয় প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও মাননীয় প্রানি সম্পদ মন্ত্রী মহোদয়ের সহযোগিতা কামনা করছি।
Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook Like Box

SuperWebTricks Loading...